রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় যেকোনো দিন
Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এ মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা হবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এ মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আজ প্রসিকিউশনের পক্ষে জবাব দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। এরপর পাল্টা জবাব দেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে রায়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দিন ধার্য করেননি ট্রাইব্যুনাল। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হবে।

ট্রাইব্যুনালে আজ প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যরা। আসামিপক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু, আবুল হাসানসহ অন্যরা ছিলেন।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে শেষ হয় ২৫ জানুয়ারি। তিন কার্যদিবসে যুক্তিতর্কে এ মামলার আদ্যোপান্ত তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া বেরোবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সিসিটিভি ফুটেজ ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়, যা ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সময় ধারণ করা হয়েছিল। মামলার প্রমাণ হিসেবে দেখানো এসব ভিডিওতে আসামিরা কে, কোথায় ছিলেন বা তাদের কার্যকলাপ শনাক্ত করে দেন প্রসিকিউটর মিজানুল। সবশেষে ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে প্রসিকিউশন।

এরপর আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো, আজিজুর রহমান দুলু, আবুল হাসানসহ স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা। তারা তাদের মক্কেলদের বেকসুর খালাস চেয়েছেন।

এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে এ মামলার ছয় আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তারা হলেন– এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তবে বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনো পলাতক।

গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে চারজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৩০ জুন। ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Popular Post
Last Update