Blog

  • ডেমোক্র্যাটের মুসলিম নারী সদস্যের সম্পদ নিয়ে তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

    ডেমোক্র্যাটের মুসলিম নারী সদস্যের সম্পদ নিয়ে তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট দলীয় মুসলিম নারী সদস্য ইলহান ওমরের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে গুলিতে বিক্ষোভকারী অ্যালেক্স প্রেট্টির প্রাণহানির ঘটনায় মার্কিন প্রশাসন যখন তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে, তখন ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর ওই ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সীমান্তবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টম হোম্যানকে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে পাঠাচ্ছেন তিনি। দেশটির ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তারা শনিবার সকালের দিকে ৩৭ বছর বয়সী নার্স প্রেট্টিকে গুলি চালিয়ে হত্যা করার পর থেকে সেখানে বিক্ষোভ চলছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, ‌‌টম কঠোর, তবে ন্যায়বান। তিনি সরাসরি আমাকে রিপোর্ট করবেন। পৃথকভাবে, মিনেসোটায় সংঘটিত ২০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি কল্যাণ তহবিল জালিয়াতি নিয়ে একটি বড় তদন্ত চলছে; যা রাস্তায় চলমান সহিংস ও সংগঠিত বিক্ষোভের জন্য আংশিকভাবে দায়ী।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, এছাড়া কংগ্রেসউইম্যান ইলহান ওমরের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে বিচার বিভাগ এবং কংগ্রেস। তিনি সোমালিয়া থেকে শূন্য হাতে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন, আর এখন নাকি তার সম্পদের পরিমাণ ৪৪ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। সময়ই সব বলবে।

    গত কয়েক বছরে ইলহান ওমরের সম্পদের পরিমাণ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে; যার পেছনে তার নতুন স্বামীর সম্পদের ভূমিকা রয়েছে। এর আগেও ট্রাম্প প্রকাশ্যে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে আর্থিক ও রাজনৈতিক অপরাধের তদন্ত হওয়া উচিত এবং সেই তদন্ত এখনই শুরু করা দরকার।

    সোমালি বংশোদ্ভূত ইলহান ওমর বর্তমানে ট্রাম্পের অন্যতম নিশানা। তাকে আক্রমণ করতে ট্রাম্প প্রায়ই ইসলামবিদ্বেষী ভাষা ব্যবহার করেন। মুসলিম আমেরিকান এই কংগ্রেস সদস্যের নির্বাচনী এলাকা মিনিয়াপোলিস। তিনি ট্রাম্পের নীতি ও বক্তব্যের কড়া সমালোচক। বিশেষ করে সোমালি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে তার আক্রমণাত্মক মন্তব্যের বিষয়ে অতীতে ব্যাপক সমালোচনা করেছিলেন ইলহান ওমর।

    গত বছর ইলহান ওমরের তীব্র সমালোচনা করে সোমালি সম্প্রদায়কে আবর্জনা বলে অভিহিত করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

  • সরিষা ফুলের হলুদ মোহ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

    সরিষা ফুলের হলুদ মোহ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

    মাঘের শুরুতেই নীলফামারীর ডিমলার বিস্তীর্ণ গ্রামীণ জনপদ যেন রূপ নিয়েছে হলুদ এক প্রাকৃতিক ক্যানভাসে। মাঠের পর মাঠ জুড়ে ফুটে থাকা সরিষা ফুল বিকেলের নরম আলোয় আরও উজ্জ্বল ও মোহনীয় হয়ে ওঠে। দিগন্তজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই দৃশ্য চোখে পড়লেই থমকে দাঁড়াতে হয়। প্রকৃতির এমন অপূর্ব সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই স্থানীয়দের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন।

    ডিমলা উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রান্তিক কৃষকদের জমিতে এবার সরিষার ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়া এখন পর্যন্ত তুলনামূলক অনুকূলে থাকায় কৃষকেরা আশাবাদী। তবে একদিকে টানা শৈত্যপ্রবাহ, অন্যদিকে দর্শনার্থীদের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল কৃষকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।

    খালিশা চাপানি ইউনিয়নের বাঘেরপুল এলাকা, যা স্থানীয়ভাবে চেয়ারম্যানপাড়া নামে পরিচিত, সেখানে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। ৬০ থেকে ৭০ জন কৃষক এই আবাদে যুক্ত। কৃষকদের মতে, সরিষা চাষে খরচ কম, সেচের প্রয়োজন কম এবং শ্রমও তুলনামূলকভাবে কম লাগে। সময়মতো আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এই ফসল কৃষকদের বাড়তি আয়ের বড় ভরসা হয়ে ওঠে। এবারও ফলনের সম্ভাবনা ভালো হলেও টানা কয়েক দিনের শীতে কিছু ফুল ঝরে পড়েছে।

    এলাকাটির পাশ দিয়ে তিস্তা নদীর প্রধান খাল এবং কাঁকড়া বাজার আঞ্চলিক সড়ক চলে যাওয়ায় সরিষাখেতের সৌন্দর্য সহজেই নজরে আসে। সড়কের দুই পাশে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে হলুদ ফুলের সমারোহ দেখে থামছেন পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা। মোটরসাইকেল, ইজিবাইকসহ নানা যানবাহনে করে দর্শনার্থীরা এসে ভিড় করছেন। কেউ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, কেউ আবার খেতের ভেতরে ঢুকে সেলফি ও ভিডিও ধারণ করছেন, যা ফসলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে

    তিস্তা ব্যারেজে ঘুরতে এসে সরিষাখেত দেখতে আসেন রংপুরের পাগলাপীর এলাকার তুহিন ও সবুজ। তুহিন বলেন, “অনেকের কাছে শুনে এখানে এসেছি। সামনে এসে মনে হলো, যেন হঠাৎ রঙিন এক স্বপ্নের মধ্যে ঢুকে পড়েছি। চারপাশের হলুদ রং মনটা শান্ত করে দেয়।”

    তবে এই সৌন্দর্যের আড়ালে বিপাকে পড়ছেন কৃষকেরা। চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় পাঁচ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করা কৃষক আজগর আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে এই জমি বিলের মতো পানিতে ডুবে থাকে। তিস্তা নদীর প্রধান খাল খননের ফলে শুষ্ক মৌসুমে স্বল্প খরচে আমন ধান চাষ করা সম্ভব হয়েছে। অতিরিক্ত ফসল হিসেবে সময়মতো সরিষার আবাদ করা হয়। প্রতিবছর ফলন ভালো হলেও এবার শীতের কারণে কিছু ফুল নষ্ট হয়েছে। তার ওপর প্রতিদিন দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শত শত দর্শনার্থী খেতে ঢোকায় গাছ ভেঙে যাচ্ছে এবং ফুল নষ্ট হচ্ছে।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ডিমলার ১০টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাস্তবে আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জিত না হলেও গত বছরের তুলনায় সরিষার আবাদ বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, একটানা শৈত্যপ্রবাহের কারণে কোথাও কোথাও গাছের বৃদ্ধি কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। কিছু এলাকায় রোগ ও পোকার আক্রমণের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। এসব বিষয়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফসল কাটার পর প্রকৃত ফলন নির্ধারণ করা যাবে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও ভালো ফলনের আশা করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, দর্শনার্থীদের সরিষাখেতে প্রবেশ না করে সড়কের পাশ থেকেই সৌন্দর্য উপভোগ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। কৃষকদের ফসল রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।

    এদিকে গয়াবাড়ি ইউনিয়নের ফুটানির হাট এলাকায় বিস্তীর্ণ সরিষাখেতে মৌবক্স স্থাপন করে মধু আহরণ করা হচ্ছে। এতে একদিকে খাঁটি মধু উৎপাদন হচ্ছে, অন্যদিকে পরাগায়নের মাধ্যমে সরিষার ফলন বৃদ্ধিতেও সহায়তা মিলছে।

    প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি কৃষকের ফসল রক্ষায় দর্শনার্থীদের দায়িত্বশীল আচরণ এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

  • অভিনয় ছেড়ে দুবাইয়ে ব্যবসায় মজেছেন অভিনেত্রী

    অভিনয় ছেড়ে দুবাইয়ে ব্যবসায় মজেছেন অভিনেত্রী

    একসময় অভিনয় ও সৌন্দর্য দিয়ে তুমুল দর্শকপ্রিয় হয়ে ওঠেন বলিউডি অভিনেত্রী রিমি সেন। ক্যারিয়ার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে ওঠেন। হারিয়ে যান সিনেপর্দা থেকে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আলোচনায় ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। তবে স্ক্রিনে নয়; অন্য এক পরিচয়ে। অভিনয় ছেড়ে এখন তিনি পুরোপুরি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। এই পেশায় তাকে নতুন পরিচয়ে শিরোনামে তুলে এনেছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর, ২০১৫ সালে রিমি সেন রিয়েলিটি টেলিভিশন শো বিগ বস-এও অংশগ্রহণ করেছিলেন। এরপর বিনোদন জগৎ ছেড়ে দেন। তিনি বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক শহর দুবাইতে ব্যবসা করছেন। সেখানে একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।

    সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রিমি সেন সেই কথাই জানালেন। বললেন, দুবাইয়ের পরিবেশ অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও ব্যবসাবান্ধব, যা তাকে এই কঠিন প্রতিযোগিতামূলক রিয়েল এস্টেট বাজারে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে।

    দুই বছর আগে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত কিছু ছবির কারণে রিমি সেনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই তার চেহারার পরিবর্তন দেখে প্লাস্টিক সার্জারির গুঞ্জনও ছড়ান।

    হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিমি বলেন, ‘মানুষ যদি মনে করে আমি প্লাস্টিক সার্জারি করেছি এবং সেটা ভালোভাবে নেয়, তাহলে সেটা আমার জন্যই ভালো। প্লাস্টিক সার্জারি ছাড়াই মানুষ তো আমাকে নিয়ে কথা বলছেন। আমি শুধু ফিলার, বোটক্স আর পিআরপি ট্রিটমেন্ট নিয়েছি― এর বাইরে কিছুই না।’

    সমালোচকদের উদ্দেশে রিমি সেন বলেন, ‘হয়তো সাম্প্রতিক ছবিতে আমার ত্বক ভালো দেখাচ্ছিল। এসব ট্রিটমেন্ট আর শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপনের মাধ্যমে যে কাউকে ভালো দেখাতে পারে। যদি কারও মনে হয় এটা খারাপ হয়েছে, তাহলে তারা বলুক কীভাবে ঠিক করা যায়― আমি আমার ডাক্তারদের সেটা জানাব।’

    বলিউড পর্দা কাঁপালেও রিমি সেন মূলত বাঙালি অভিনেত্রী। তিনি একজন প্রযোজকও বটে। হিন্দি, তেলেগু এবং বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন। ২০০২ সালে তেলেগু চলচ্চিত্র ‘নি থোডু কাভালি’-তে প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৩ সালে তিনি কমেডি চলচ্চিত্র ‘হাঙ্গামা’র তিনি সেরা নারী অভিষেকের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে মনোনীত হন। পরে তিনি ‘বাঘবান’ (২০০৩), ‘ধুম’ (২০০৪), ‘গরম মসলা’ (২০০৫), ‘কিওঁ কি’ (২০০৫) , ‘দিওয়ানে হুয়ে পাগল’ (২০০৫) , ‘ফির হেরা ফেরি’ (২০০৬) এবং ‘গোলমাল : ফান আনলিমিটেড’ (২০০৬)-সহ বেশ কয়েকটি সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রিমি সেন।

  • আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ জনশক্তি গড়তে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর: আসিফ নজরুল

    আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ জনশক্তি গড়তে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর: আসিফ নজরুল

    আগামীর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী দক্ষ জনশক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নানা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল লেবার মার্কেট কনফারেন্সে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশের শ্রমবাজারে চলমান গুণগত পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরেন।

    ড. আসিফ নজরুল জানান, সৌদি তাকামলের সঙ্গে স্বাক্ষরিত দক্ষতা যাচাই কর্মসূচি (এসভিপি) চুক্তির আওতায় সৌদি শ্রমবাজারের প্রকৃত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার কর্মীকে বিভিন্ন পেশায় দক্ষতার সনদ প্রদান করছে।

    তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আইএলও’র দশটি মৌলিক কনভেনশন অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ শ্রমবাজারে ন্যায্যতা, কল্যাণ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পূনর্ব্যক্ত করেছে। এই প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করা হয়েছে যা ট্রেড ইউনিয়ন গঠন সহজীকরণ, লিঙ্গ-ভিত্তিক মজুরি বৈষম্য দূরীকরণ এবং শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্তি নিষিদ্ধকরণসহ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবে।

    এছাড়া সম্প্রতি স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-সৌদি আরব শ্রমিক নিয়োগ চুক্তি নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    উল্লেখ্য, এ বছর রিয়াদে অনুষ্ঠিত তৃতীয় গ্লোবাল লেবার মার্কেট কনফারেন্সে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাসচিবসহ বিশ্বের ৩৫টি দেশের শ্রমমন্ত্রী অংশগ্রহণ করেন।

  • হাতপাখা জয়ী করলে আল্লাহ শান্তি দান করবেন

    হাতপাখা জয়ী করলে আল্লাহ শান্তি দান করবেন

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীর চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদারকে হাতপাখা প্রতীকে জয়ী করলে এ এলাকার মানুষ শান্তি পাবে দুনিয়াতে। এ ছাড়া সব দিক থেকে নীতি-আদর্শ ইসলাম যেহেতু, এটা ধারণ করলে আখেরাতেও আল্লাহ রব্বুল আলামিন শান্তি দান করবেন।’

    গতকাল বকশীগঞ্জ উপজেলার এন এম উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক নুরুল করিম আকরাম, জেলা সভাপতি মোস্তফা কামাল, বকশীগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাহজালাল প্রমুখ। জনসভায় জামালপুর-১ আসনের প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদারের হাতে হাতপাখা প্রতীক তুলে দেন দলের আমির।

    সংসদে গেলে সন্ত্রাসীদের বিপক্ষে কথা বলব : বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ও দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, সংসদের বাইরে এক হাজার মিনিট কথা বললে কিছু হয় না। কিন্তু সংসদে পাঁচ মিনিট কথা বললেই আইন হয় এবং অধিকার বাস্তবায়ন করা যায়। গতকাল সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। এর আগে তিনি বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ বাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করেন।

  • হেনস্তার শিকার মিমি চক্রবর্তী

    হেনস্তার শিকার মিমি চক্রবর্তী

    কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও ওপার বাংলার সাবেক সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী এবার এক অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন। পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়ে ভয়াবহ হেনস্তার শিকার হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সাথে ঘটে যাওয়া শ্লীলতাহানির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মিমির সাথে এমন আচরণে সরগরম টলিউড।

    জানা গেছে, বনগাঁয় আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়েন মিমি। ভক্তদের অতি-উৎসাহ এবং আয়োজকদের অব্যবস্থাপনায় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, মিমিকে শারীরিক লাঞ্ছনার মতো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়।

    এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মিমি চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এই ধরনের ব্যবহারের মুখোমুখি আগে কখনো হইনি। এটি আমার জন্য অত্যন্ত তিক্ত একটি অভিজ্ঞতা।’

    ক্ষুব্ধ মিমি আরও যোগ করেন, ‘বর্তমানে দর্শকরা মনে হয় ধরে নিয়েছেন যে, মঞ্চে পারফর্ম করতে আসা শিল্পীরা তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি! এই ধরনের মানসিকতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শিল্পীদের সম্মান ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আয়োজকদের দায়িত্ব।’

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই পূর্ব মেদিনীপুরে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীও একই ধরনের আপত্তিকর আচরণের শিকার হয়েছিলেন। একের পর এক তারকা শিল্পী হেনস্তার শিকার হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এখন নিরাপত্তার প্রশ্নটি বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • Hello world!

    Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!