Blog
-

সান্তাহার থেকে দুই কুখ্যাত চোর গ্রেফতার, উদ্ধার চুরির মালামাল
মোঃ ফিরোজ আহমেদস্টাফ রিপোর্টারনওগাঁর সান্তাহার এলাকা থেকে দুই কুখ্যাত চোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা আপন দুই ভাই—সুমন (৩৩) ও সুজন (২৭)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুমনের বিরুদ্ধে ১১টি এবং সুজনের বিরুদ্ধে ৪টি চুরির মামলা রয়েছে।পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও নওগাঁ সদর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল গতকাল তাদের গ্রেফতার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে আজ সকালে বিভিন্ন স্থান থেকে চুরির কিছু মালামাল এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত পোশাক উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত এই দুই ভাই দিনের বেলায় চুরির কাজে বিশেষভাবে পারদর্শী এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা সংঘবদ্ধভাবে চুরি করে আসছিল।পুলিশ জানায়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। -

মণিরামপুরে তরুণ প্রজন্ম দাঁড়িপাল্লার বিজয় আনবেই বলেছেন- এ্যাড.শিল্পী রোকনুজ্জামান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ জনপদের ইসলামী গানের সুরের পাখি এ্যাডভোকেট শিল্পী রোকনুজ্জামান, তিনি যশোর ০৫ মনিরামপুর সংসদীয় আসনের দাঁড়িপাল্লার কান্ডারী এ্যাডভোকেট গাজী ইনামুল হকের ছোট ভাই, এ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হাজার হাজার মানুষেকে ইসলামিক গান শুনিয়ে দেশের ইসলামী জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠেছেন, যার ইসলামিক সংগীত শোনার জন্য এক বছর আগে থেকেই সিডিউল নিতে হয় খরচ করতে হয় অর্ধ লক্ষ টাকা, সেই গানের পাখি শিল্পী রোকনুজ্জামান এখন যশোর মনিরামপুরের অলিতে গলিতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে দাঁড়িপাল্লার ভোট চাইছেন গত বেশ কিছুদিন ধরে, রোকনুজ্জামানের উপস্থিতি দেখে মুহূর্তের মধ্যেই শত শত মানুষের ভিড় জমে যাচ্ছে, এই রিপোর্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের এ্যাড. রোকনুজ্জামান বলেন আমি মানুষের যে সাড়া পেয়েছি তাতে নিঃসন্দেহে বলতে পারি ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মনিরামপুরের আপামর জনগণ এবং তরুণ প্রজন্ম দাঁড়িপাল্লা কে বিজয় করেই ঘরে ফিরবে ইনশাআল্লাহ, এ্যাড. শিল্পী রোকনুজ্জামান আরো বলেন , জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং এলাকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী ইনামুল হক ভাইয়ের মূল লক্ষ্য। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সমর্থনে গাজী এনামুল হক নির্বাচিত হয়ে মনিরামপুর উপজেলা কে একটি ন্যায়ভিত্তিক এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবে, গণসংযোগকালে তিনি আরও বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় গিয়ে কথা বলা ও তাদের সমস্যা শোনা গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ আমি বেশ কিছুদিন ধরে সেই কাজটি করছি। আমি লক্ষ করছি মনিরামপুরের সব শ্রেণিপেশার মানুষ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন এবং সাধারণ জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, তারা একটি সৎ, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে, শিল্পী রোকনুজ্জামান বলেন এ্যাড. গাজী ইনামুল হক নির্বাচিত হলে ভবদাহ এলাকার স্থায়ী ও টেকসই সমাধান হবে বলে ভবদা পাড়ের মানুষও বিশ্বাস করে, বিশেষ করে এই এলাকার রাস্তা ঘাট সংস্কারের নামে সীমাহীন দুর্নীতি করা হয়েছে বিগতদিনে। ফলে বর্ষাকালে চলাচলে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ্যাড . রোকনুজ্জামান বলেন জীবনের প্রথম ভোট নিয়ে মণিরামপুর উপজেলার তরুণ প্রজন্মের চোখে যেমন স্বপ্ন, তেমনি আছে একরাশ বাস্তবভিত্তিক প্রত্যাশা, এ্যাড. রোকনুজ্জামান বলেন মণিরামপুরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লার বিজয় হবেই ইনশাআল্লাহ। -

ঘাটাইলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যৌথ বাহিনীর টহল কার্যক্রম পরিচালনা
মোঃ শফিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারআসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টাঙ্গাইল ৩ ঘাটাইল আসনের নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আচরণবিধি প্রতিপালনে যৌথ বাহিনীর টহল পরিচালনা করা হয়।৩০ জানুয়ারী (শুক্রবার) বিকাল ৩.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০ট পর্যন্ত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও আচরণবিধি প্রতিপালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঘাটাইল সেনা ক্যাম্পের সদস্যগণ, ঘাটাইল থানা ও জেলা পুলিশের সদস্যগণের সমন্বয়ে যৌথ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করেন।এ সময় ঘাটাইল কলেজ মোড়, বাজার রোড, স’মিল রোড, জামুরিয়া, কদমতলী বাজার, দেওপাড়া বাজার, ধলাপাড়া বাজার, সাগরদিঘী বাজার, গারোবাজার, পাকুটিয়া বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুর রহমান বলেন, আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন নিশ্চিতে এবং নির্বাচন পূর্ব সময়ে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে এ ধরনের যৌথ বাহিনীর টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। -

নেত্রকোনা পৌরসভার উন্নয়নের কারিগর, পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার
সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা :নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক ও নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার নেত্রকোনা পৌরসভায় যোগদানের পর থেকেই পৌর প্রশাসনকে স্বচ্ছ ও দুর্ণীতি মুক্ত জনপ্রশাসন হিসেবে গড়তে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। নেত্রকোনা পৌর প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর পরই পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে মতবিনিময়কালে দেখা গেছে নির্ভীক, নিরহংকার ও সদালাপী এই মানুষটির মনে রয়েছে নানান স্বপ্ন ও উদ্ভাবনী ভাবনা যা তিনি বাস্তবায়ন করার জন্য বদ্ধপরিকর। তিনি বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে নেত্রকোনা পৌরবাসির কাছে তিনি শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন, বরং আস্থার প্রতীক, উন্নয়নের কারিগর এবং মানবিক নেতৃত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ।নেত্রকোনা পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, সরকারের সকল এজেন্ডা বাস্তবায়নের পাশাপাশি পৌরসভার সর্বশ্রেণী মানুষের সার্বিক কল্যাণে নিরন্তর ব্যস্ত থাকেন তিনি। ইতোমধ্যে তিনি ও তার টিম সারা পৌরসভা এলাকায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। এছাড়াও পৌরসভার সেবা গ্রহীতাগণ পৌরসভার কোনো সেবা হতে বঞ্চিত হলেও অভিযোগ জানাতে পারেন পৌর প্রশাসকের মোবাইল নম্বরে। প্রশাসনের কিছু মানুষ নিজেদের কর্মগুণে জনমনে স্থান করে নিয়েছেন। তেমনি একজন নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার। প্রশাসনের কাজে তিনি যেমন দক্ষ তেমনি একজন মানবিক ব্যক্তিও। বর্তমান নেত্রকোনা পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার পৌর প্রশাসক হিসাবে যোগদান করার পর তাঁর মানবিক মূল্যবোধ এবং কর্মদক্ষতায় পৌরবাসি মুগ্ধ। তিনি সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে থেকে কোনো ধরনের অন্যায়ের সাথে কখনো আপোস করেন নাই।আরও জানা যায়, নেত্রকোনা পৌরসভায় কোনো বিশেষ প্রয়োজনে তাঁর সাথে দেখা করতে চেয়ে সুযোগ পাওয়া যায়নি এমন ঘটনা বিরল। সাক্ষাৎ প্রত্যাশী মানুষের কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে তাদের সমস্যা বা দুর্ভোগের কার্যকর সমাধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করা, দরিদ্র, অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া তার নিত্যদিনের কাজ। নিজের অফিস কক্ষের ভিতরে বসে সাধারণ মানুষের নানা সমস্যার কথা শুনে সমাধানের পথ বাতলে দিচ্ছেন। এতে করে সাধারণ মানুষের আপনজনে পরিণত হয়েছেন পৌর প্রশাসক। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে পৌরসভার হাজারো মানুষের সমস্যার সমাধান মিলছে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো যেন নিত্যদিনের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদারের, যারাই সহায়তার জন্য তার পৌর দফতরে যাচ্ছেন, খালি হাতে ফিরছেন না কেউই। তিনি ২৯ তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন গর্বিত কর্মকর্তা।বিশেষ সূত্রে জানা যায়, তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি পৌরসভার জনসেবা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে। পৌরসভার প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে পৌর এলাকার সকল নাগরিকরাও প্রশাসনিক সেবায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতার স্বাদ পাচ্ছেন। নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার নিজেই জানান,আমি নেত্রকোনা পৌরসভার খেটে খাওয়া মানুষের পৌর প্রশাসক, আমার কাছে ধনী-গরীব,উঁচু-নিচু সবাই সমান,প্রশাসন জনগণের সেবক; এই ভাবনা থেকেই আমি কাজ করি। মানুষের সেবায় থাকাটাই আমার বড় প্রাপ্তি। তাঁর এই ধরনের উদ্যোগ ও দায়িত্বশীলতা ইতোমধ্যেই পৌরসভার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমের প্রশংসা অর্জন করেছে। -

ফরিদপুরের সালথায় নিজের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে যুবকের আত্মহত্যা
(মামুন) জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় নিজের পেটে নিজেই ছুরি ঢুকিয়ে মো. জুবায়ের ব্যাপারী (৩০) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের পুটিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জুবায়ের ওই ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের আক্কাস ব্যাপারীর ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতা ও মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন।
তিনি কথা বলতে পারতেন না এবং মৃগী রোগসহ একাধিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে পরিবারের দাবি।
নিহতের পরিবার জানায়, জুবায়েরের শারীরিক অসুস্থতা দিন দিন জটিল আকার ধারণ করছিল। সম্প্রতি তার পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং তিনি তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। এসব শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি তার মানসিক ভারসাম্যও ক্রমেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, অসুস্থতার কারণে তিনি মাঝেমধ্যেই নিজের শরীরে নিজেই আঘাত করতেন।
নিহতের বাবা আক্কাস ব্যাপারী বলেন, আমার ছেলে ছোটবেলা থেকেই নানা রোগে ভুগছে। কিছুদিন ধরে তার পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছিল এবং পেট ফুলে গিয়েছিল। আমরা ধারণা করছি, সেই যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে সে নিজের পেটে নিজেই ছুরি ঢুকিয়ে দেয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পুটিয়া বাজারের এক দোকানদার মুরাদ হোসেন জানান, সকালে তিনি দোকানে বেচাকেনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় হঠাৎ জুবায়ের দোকানে রাখা পেঁয়াজ-মরিচ কাটার একটি ছুরি হাতে নেয়। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সে নিজের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে দেয়। পরে তার বাবা দ্রুত এসে তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে বাড়িতে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, নিহত যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি নিজেই ছুরি দিয়ে নিজের পেটে আঘাত করেন, এতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। -

ন্যায় ও মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার জাতীয় দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন দুর্নীতি, অনিয়ম ও অবিচারের বিরুদ্ধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মানবাধিকার প্রতিদিন
স্টাফ রিপোর্টার |মাসুদ রানা,যশোর | ৩০/0১/২০২৬জাতীয় দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়, সত্য ও মানবাধিকারের পক্ষে নির্ভীক ভূমিকা রেখে চলেছে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অধিকার রক্ষা, দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র জনসম্মুখে তুলে ধরা এবং নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করাই এ পত্রিকার মূল লক্ষ্য।এই পত্রিকার মাধ্যমে সমাজে ঘটে যাওয়া নানা অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ যেমন সচেতন হচ্ছে, তেমনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হচ্ছে।জাতীয় দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন বিশ্বাস করে—সাংবাদিকতা শুধু খবর প্রকাশ নয়, বরং ন্যায় প্রতিষ্ঠার একটি শক্তিশালী মাধ্যম।এই নীতিকে সামনে রেখেই পত্রিকাটি সত্য প্রকাশে অবিচল রয়েছে।পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলী জানান, ভবিষ্যতেও মানবাধিকার রক্ষা, দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন এবং গণমানুষের পক্ষে সাহসী সাংবাদিকতা অব্যাহত থাকবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে জাতীয় দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন। -

পুরোনো-নতুন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুবকরা ঐক্যবদ্ধ : লাকসামে ডাঃ শফিকুর রহমান
দেলোয়ার হোসেন মনির লাকসাম কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বলেছেন, যারা ফ্যাসিবাদের মতো আচরণ করে তাদের দিয়ে ফ্যাসিবাদ দূর করা যায় না। ৫ আগস্টের পর থেকে যারা জুলাইয়ের চেতনা ও সংস্কারকে মানে না, তাদের দিয়ে কখনোই ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে ফ্যাসিবাদবিরোধী দলকে বেছে নিতে হবে, পুরোনো ও নতুন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুবকরা ঐক্যবদ্ধ।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়ামে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, মনে রাখবেন যে মায়ের দামাল সন্তানরা চব্বিশে জগদ্দল পাথর হিমালয়ের সমান ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে, সেই সন্তানরা ঘুমিয়ে পড়েনি। তারা এখনো জেগে আছে। আগামীতে জনগণের ভোট নিয়ে কেউ যদি অন্য কোনো চিন্তা করেন এই যুবকরা সিংহ হয়ে গর্জন করবে। সিংহের থাবা সামাল দিতে পারবেন না। সুতরাং নিজের ছাড়া অন্য কারও ভোটের দিকে হাত বাড়াবেন না।
তিনি বলেন, এই স্লোগান অচল— ‘আমার ভোট আমি দেব, তোমারটাও আমি দেব’— না সেদিন এখন আর নেই। এখন আমারটা আমি দেব, তোমারটা তুমি দাও। আমার যারে পছন্দ আমি দেব, তোমার যারে পছন্দ তারে দাও। এর নাম হচ্ছে ডেমোক্রেসি। এর নাম হচ্ছে এসেন্টস অব ডেমোক্রেসি— গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।
বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের কোনো মামা-খালুর দেশ নেই, কোনো বেগম পাড়া নেই। আমাদের আছে একটাই পরিচয়, গর্বের বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, ঘরে ঘরে এক হাতে ফ্যামিলি কার্ড, আরেক হাতে মায়ের গায়ে হাত। এই দ্বিচারিতা জনগণ আর মেনে নেবে না। আপনারা মা-বোনদের গায়ে চাবুক মারতে পারেন, কিন্তু মানুষের মনের ওপর কোনো চাবুক চলে না।
জামায়াতের আমির বলেন, এই দেশটা সবার, শুধু আমার একার নয়। সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন জায়গায় যারা আছেন, আমরা বিশ্বাস করি দেশ আমাদের সবার। সবার দায় আছে। সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই আমরা একটি সভ্য দেশ করতে পারবো ইনশাআল্লাহ। এই দেশকে এখনো সভ্য বলা যাবে না। যে দেশের পথে ঘাটে সর্বত্র চাঁদাবাজি হয় এটা কখনও সভ্য দেশ হতে পারে না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের অঙ্গীকার আমরা চাঁদাবাজদেরকে সাহায্য করব। আপনারা হয়তো বলবেন— আশ্চর্য আপনারা কি চাঁদাবাজদের আরও চাঁদা দিয়ে সহযোগিতা করবেন! না, আমরা তাদের আহ্বান করব তোমরাও আমাদের সন্তান, চাঁদাবাজি ছেড়ে দাও। তোমাদের যদি খাদ্যের অভাব হয় আল্লাহ আমাদের যে রিজিক দিয়েছেন আমরা তা ভাগাভাগি করে খাব। তবুও হারামের দিকে হাত বাড়াইও না। চাঁদা নিয়ে মানুষকে কষ্ট দিও না। রাস্তার ভিক্ষুক থেকে শুরু করে শিল্পপতি সবার ঘুম হারাম এদের কারণে। মানুষের অভিশাপের পাত্র হয়ে গেছ। তওবা করে এখান থেকে বের হয়ে আসো, তোমাদের বুকে টেনে নেব। এরপর তোমাদের আমরা শিক্ষিত-প্রশিক্ষিত করে হাতে কাজ তুলে দেব ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, বেকার ভাতা দিয়ে যুবকদের আমরা অসম্মান করতে চাই না। আমাদের যুবকরা যারা লড়াই করে জীবন দিতে জানে অধিকারের জন্য, তারা বেকার ভাতার জন্য লড়াই করেনি। তারা লড়াই করেছে তাদের মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাওয়ার জন্য। আমরা তোমাদের কথা দিচ্ছি তোমাদের হাতকে আমরা এই দেশ গড়ার কারিগরের হাত হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ। সেই দিন তোমাদের হাতে মর্যাদার কাজ আমরা তুলে দেব। তখন সবাই মাথা উঁচু করে বুক ফুলিয়ে বলবা— আমিই বাংলাদেশ। আমাকে এই বাংলাদেশ অনেক কিছুই দিয়েছে এখন আমার প্রিয় দেশকে আমি দিতে চাই। আমি বেকার ভাতা খেতে চাই না।
শফিকুর রহমান বলেন, এই দেশটা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার। আমরা মিলেমিশে এই দেশটাকে ফুলের বাগানের মতো গড়ব ইনশাআল্লাহ। সব ধর্মের মানুষ তার সব প্রাপ্য অধিকার পাবে, অধিকারের জন্য তার লড়াই করার দরকার হবে না। আমরা সমাজে সুবিচার কায়েম করব। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করবে। সরকার দেখবে না তিনি কোন দলের কিংবা কোন ধর্মের। দেখবে তিনি যোগ্য কি না আর তার মাঝে দেশপ্রেম আছে কি না। এনাফ। এনাফ ইজ এনাফ। আর কিছু লাগবে না। তিনি কাজ পাবেন, সম্মানের সঙ্গে জীবন-যাপন করবেন।
নির্বাচনী জনসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, এখন সারা বাংলাদেশের সর্বস্তরের নাগরিক ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার প্রতিনিধিদের, শাপলা কলির প্রতিনিধিদের, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ডা. শফিকুর রহমান ভাইকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর জন্য মুখিয়ে আছে।
এনসিপি মূখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার কর্মীদের থামান। আপনার আসন্ন পরিনতির জন্য এরাই যথেষ্ট।
তিনি প্রশানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা কোন দলের সম্পদ নন। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপির নন; আপনারা এদেশের ১৮ কোটি মানুষের। দেশের মানুষের জন্য আপনারা কাজ করুন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
কুমিল্লা-৯ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. ছৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, কুমিল্লা-১০ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ইয়াছিন আরাফাত, ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএস সাঈদ বিন হাবিব, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, হাজীগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক আবুল হোসাইন, সাবেক সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি অধ্যাপক রেজাউল করিম, কুমিল্লা-১০ আসনে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন পরিচালক ডঃ দেলোয়ার হোসাইন, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আব্দুল হক আমিনী, ঢাকা দক্ষিণ জেলা জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান সোহাগ, সাবেক ছাত্রনেতা নোমান হোসেন নয়ন, ঢাকা মহানগর জামায়াত নেতা মুহাম্মদ সিরাজুল হক, খেলাফত মজলিশ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মুফতি মাহবুবুর রহমান, এনসিপি কুমিল্লা জেলা সমন্বয়ক ব্যারিস্টার মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোহরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ, কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজন, কুমিল্লা-৯ আসনে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন পরিচালক ও লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব ও উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ জহিরুল ইসলাম, মনোহরগঞ্জ উপজেলা আমীর হাফেজ মাওলানা নূরুন্নবী, কুমিল্লা জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
লাকসাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জোবায়ের ফয়সাল ও পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ শহিদ উল্যাহর পরিচালনায় নির্বাচনী জনসমাবেশে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ লক্ষাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। -

ভোট দেবো ধানের শীষে দেশ গড়ব মিলে মিশে এই শ্রমিক দলের সভাপতি মমিনুর রহমান মমিন।
শরিফ মিয়াজামাল পুরজামালপুর ইসলামপুর গোয়ালে চর ইউনিয়নে মোহাম্মদপুর সভার চর কাছিমা চর মিতালী মহল গিরি সহ সকল বাজারে দিনব্যাপী গণসংযোগ লিফলেট বিতরণ করে ধানের শীষে ভোট ও দোয়া চান ৩০ শে জানুয়ারি শুক্রবারআসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে জামালপুর ২ ইসলামপুর আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান মাহমুদ বাবুর পক্ষে ইসলামপুর উপজেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে। মমিনুর রহমান মুমিনের নেতৃত্বে গোয়ালের চর ইউনিয়নে ধানের শীষে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেন প্রত্যন্ত অঞ্চলে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া ও মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠেছে এলাকার সাধারণ জনগণ বিভিন্ন সড়ক পদ দক্ষিণ করে সন্ধ্যায় মহল গিরি বাজারে গণসংযোগ টি সমাপ্ত হয় । এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জালাল উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ইসলামপুর উপজেলা শাখা।আব্দুল হালিম বেপারী সহ-সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ইসলামপুর উপজেলা শাখা।গাজী মিয়া সহ-সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ইসলামপুর উপজেলা শাখা।সাজেদুল করিম সাজু সহ-সভাপতি ইসলামপুর উপজেলা শাখা।আতিকুর রহমান বিপুল সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ইসলামপুর উপজেলা শাখা। আরিফ হাসান বাবু সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ইসলামপুর উপজেলা শাখা। ৯ নং গোয়ালেচর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। -

হবিগঞ্জ-৪ আসনে চা শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থীর
শাওন চৌধুরী
বিশেষ প্রতিনিধিহবিগঞ্জ-৪ আসনের ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী চা শ্রমিকদের অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে এলেই কিছু মানুষ গাড়ি নিয়ে এসে চা শ্রমিকদের মাঝে জিলাপি ও মিষ্টি বিতরণ করেন। কিন্তু নির্বাচনে পাস করার পর আর তাদের কোনো খোঁজখবর থাকে না। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,
“আমি কথা দিচ্ছি—আমি যদি নির্বাচিত হই, তাহলে আপনাদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকব। আমি সেই ধরনের এমপি হবো না, যিনি শুধু জিলাপি আর মিষ্টি বিতরণ করে দায়িত্ব শেষ করেন।”মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী আরও বলেন, তিনি চান সত্যিকার অর্থেই চা শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হোক। শুধু আশ্বাস নয়, বাস্তব ও টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নই হবে তার মূল লক্ষ্য।
স্থানীয় চা শ্রমিকদের উদ্দেশে দেওয়া এই বক্তব্যে উপস্থিত জনতার মধ্যে ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত হলে তিনি তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দেবেন এবং চা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবেন।
-

নবীগঞ্জে কৃষি ব্যাংকের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
শাওন চৌধুরী
বিশেষ প্রতিনিধিহবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে বাজারে অবস্থিত কৃষি ব্যাংকের নিচতলার একটি গোডাউনে হঠাৎ করে আগুন লাগে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে এবং গোডাউন থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে থাকে। খবর পেয়ে বাহুবল ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারেনি। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।