Blog
-

গ্রাম পুলিশ আবু বক্করের ইয়াবা লুটের ১১ দিন, তদন্তে রহস্যজনক গড়িমসি-ডিসির তদন্তের আশ্বাস
হামিদুল হকনাইক্ষ্যংছড়ি,বান্দরবাননাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদার আবু বক্করের বিরুদ্ধে বার্মিজ গরু ও মাদক চোরাচালান, পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি এবং ইয়াবা লুটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোছড়ি ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার মৃত আবদুল আলীর ছেলে আবু বক্কর গ্রাম পুলিশের পোশাকের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত চোরাচালান, ইয়াবা ব্যবসা এবং চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি চোরাকারবারিদের কাছ থেকে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায়ের একটি ভিডিও ফুটেজ সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছেছে, যা নিয়ে জনমনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ঘটে গত ২০ ফেব্রুয়ারি। অভিযোগ রয়েছে, একই ইউনিয়নের সিলঘাটা এলাকার রিয়াজ উদ্দীনের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে কৌশলে তাকে নিজ বাসায় নিয়ে যান আবু বক্কর। পরে ওই চালান থেকে ৮ হাজারের বেশি ইয়াবা আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলে তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের কাছে ১ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ রিয়াজ উদ্দীনকে সোপর্দ করেন।ঘটনাটি দ্রুতই ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয় এবং বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়। তবে ঘটনার ১১ দিন অতিবাহিত হলেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন”বিষয়টি থানার এখতিয়ারভুক্ত।এখানে ইউএনও এর করার কিছুই নাই”। অন্যদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল বাতেন মৃধা জানান “ইউএনও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন”।এ বিষয়ে বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বলেন,”তিনি অভিযোগের বিষয়ে অবগত হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইউএনওকে নির্দেশনা দেওয়া হবে”। একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মাহবুবুল করিম।অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে বলে জানা গেছে। পরবর্তী পর্বে থাকছে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজিসহ অন্যান্য অভিযোগের বিস্তারিত অনুসন্ধান। -

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কামিল মাদ্রাসা-এর উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
মোহাঃ রকিব উদ্দীন স্টাফ রিপোর্টার
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার উদ্যোগে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ রমজান (৪ মার্চ) বুধবার বিকাল ৫টায় মাদ্রাসার মাঠ প্রাঙ্গণে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার দাতা, প্রতিষ্ঠাতা ও সহযোগিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল শুভানুধ্যায়ীদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মোহাঃ এমরান হোসেন।মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও মাদ্রাসার সভাপতি মোহাঃ লতিফুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি তাঁর বক্তব্যে মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন এবং চলমান নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিল্পপতি ও নবাব গ্রুপ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আকবর হোসেন, এরফান গ্রুপ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাহবুব আলম (সিআইপি), শিবগঞ্জ উপজেলার মেসার্স রিপন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোঃ খাইরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি-এর সভাপতি আবদুল ওদুদ, পৌরসভার সাবেক মেয়র মাওলানা আব্দুল মতিন, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোখলেশুর রহমান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু বক্কর এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিক এনাতুল্লাহসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।বক্তারা মাদ্রাসার শিক্ষা বিস্তার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। আলোচনা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালিত হয়। পরে ইফতার পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে। -

দেবহাটায় নবনির্বাচিত এমপি আব্দুল খালেককে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল
আবুল হাসান :সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেছেন, আল্লাহর সবচেয়ে নিয়ামতের মধ্যে বড় নিয়ামত হলো কুরআনুল কারিম। এই রমজানেই আল্লাহ মালিক মহাগ্রন্থ কুরআনুল কারিম নাযিল করেছিলেন। কোন কাজ করা যাবে, কোনটা করা যাবেনা সেটা নির্ধারন করে দিয়েছে আল কুরআন। হালাল আর হারামের পার্থক্য করে দিয়েছে আল কুরআন। রাষ্ট্রীয়ভাবে কুরআনুল কারিমকে মর্যাদাবান না করা গেলে আসল সম্মান ও মর্যাদা প্রদান সম্ভব নয়। তাই সকলকে রমজানের মর্যাদা বজায় রেখে আমাদের জীবন গঠন করতে হবে বলে আব্দুল খালেক বলেন। দেবহাটা সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে সাতক্ষীরা-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উল্লেখিত কথাগুলো বলেন। সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ অলিউল ইসলাম, সেক্রেটারি এইচ.এম ইমদাদুল হক, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলওয়ার হোসেন, দেবহাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তালেব বুলবুল, দেবহাটা দক্ষিণ ছাত্র শিবিরের সভাপতি আবু সাঈদ গাজীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। পরে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। -

ভূরুঙ্গামারীতে সেনাসদস্যের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে যুবতীর অনশন
রফিকুল ইসলাম রফিক,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক সদস্যের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশন শুরু করেছেন চাঁদপুরের এক যুবতী। অনশনরত ওই তরুণীর নাম আসমা আক্তার (১৯)। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ ফতেপুর গ্রামের বিল্লাল খানের মেয়ে। অভিযুক্ত সেনাসদস্য জাহাঙ্গীর আলম (২১) ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহা আলীর ছেলে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে জাহাঙ্গীর আলম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে যোগ দেন। চাকরিরত অবস্থায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আসমা আক্তারের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে একাধিকবার দেখা-সাক্ষাতের পর তারা গোপনে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন আসমা।আসমার অভিযোগ, বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি স্বামীর বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতি চেয়ে ঘরে তোলার দাবি জানান। এ সময় জাহাঙ্গীর আলম তার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে জাহাঙ্গীর বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেন বলে দাবি করেন তিনি।ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি কৌশলে জাহাঙ্গীরের গ্রামের বাড়ির ঠিকানা সংগ্রহ করে ভূরুঙ্গামারীতে আসেন। প্রথমে তাকে বাড়িতে থাকতে দেওয়া হলেও তিন দিন পর জাহাঙ্গীরের খালাসহ কয়েকজন আত্মীয় তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গত ৩ মার্চ আসমা ভূরুঙ্গামারী থানায় নির্যাতনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তের বাবা শাহা আলী ও মা জাহানারা বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে আটক দু’জনকে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।আসমা আক্তার বলেন, “পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে এসেছি। প্রথমে আমাকে মেনে নেওয়া হলেও পরে অমানবিক নির্যাতন করে বের করে দেওয়া হয়। আমার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, আংটি ও পায়ের নূপুর খুলে নেওয়া হয়েছে। মোবাইলে থাকা আমাদের ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।”ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন মামলা দায়ের ও দুইজনকে আদালতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সেনাসদস্য জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য জানা যায়নি। পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। -

পাঁচবিবিতে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা
মোঃ শহিদুল ইসলাম রতনজেলা প্রতিনিধি জয়পুরহাটজয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌর এলাকার খাসবাগুড়ী (জিয়ার মোড়) এলাকায় ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পাঁচবিবি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মার্চ দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে শিশুটি প্রতিবেশী এক শিশুর সঙ্গে বাড়ির সামনে খেলছিল। এ সময় অভিযুক্ত মো. আব্দুল গফুর (৫০) কৌশলে শিশুটিকে কোলে করে নিজের বাড়ির গোয়াল ঘরে নিয়ে যায়। পরে তাকে একটি ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ চেষ্টা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে গেলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। ঘটনার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজ মো. রায়হান বলেন, ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করেছি। ভিকটিমের বাবা ছাবিরুল ইসলাম এজাহার করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।ওসি আরও জানান, শিশুটিকে পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামি গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তাকে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। -

মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ আটক ১
সোলতান আহমদটেকনাফ প্রতিনিধি।কক্সবাজারের রামুতে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) এর অধীনস্থ মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদের দিকনির্দেশনায় এবং সহকারী পরিচালক মোঃ কবির হোসেনের নেতৃত্বে চেকপোস্টে টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়। এ সময় একটি সন্দেহজনক মাহেন্দ্র গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।গাড়ির চালক মোঃ ফরহাদ উদ্দিন (৩২) কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি কোনো মাদক থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে গাড়িটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি করে ইঞ্জিন কভারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় প্রায় ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।আটক ফরহাদ উদ্দিন (৩২) কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মাস্টার পাড়া এলাকার মোঃ কামাল উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) এর অধিনায়ক ও পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি ও জব্দকৃত মাদকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।আপনি চাইলে আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত করে অনলাইন নিউজ / ফেসবুক পোস্ট স্টাইলেও সাজিয়ে দিতে পারি। -

টেকনাফের ঝিমংখালীতে কেওড়া বাগান থেকে এসএমজি, বুলেট ও ম্যাগজিন উদ্ধার।
সোলতান আহমদ টেকনাফ প্রতিনিধি।
কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের অভিযানে একটি এসএমজি, বুলেট ও ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়েছে।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ ঝিমংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সীমান্তবর্তী কেওড়া বাগান এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি এসএমজি, কয়েক রাউন্ড বুলেট এবং একটি ম্যাগজিন পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অস্ত্র পাচারের উদ্দেশ্যে এগুলো সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তবে অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পাচার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। -

রমজানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খাদ্য সরবরাহ নিয়ে অভিযোগ, ‘সিন্ডিকেটের কারণে চাহিদামতো খাদ্য পাচ্ছেন না শরণার্থীরা’
মাসুদ রানা। স্টাফ রিপোর্টার
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পবিত্র রমজান মাসে খাদ্য সহায়তা বিতরণে নানা অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ রোহিঙ্গাদের দাবি, তারা জাতিসংঘের মাধ্যমে খাদ্য সংগ্রহ করলেও নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাদ্য পাচ্ছেন না।
ক্যাম্পে বসবাসরত কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, কিছু ব্যবসায়ী ও তথাকথিত “সিম কার্ড ব্যবসায়ী” তাদের ইচ্ছামতো অপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করছেন। ফলে অনেক সময় প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর পরিবর্তে এমন পণ্য দেওয়া হচ্ছে যা রোহিঙ্গাদের দৈনন্দিন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তাদের অভিযোগ, ক্যাম্পের ভেতরে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা রোহিঙ্গারা খাদ্যসামগ্রী ব্যবহার বা আদান-প্রদানের সময় বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করে এবং কখনও কখনও টানাটানি ও হয়রানির ঘটনাও ঘটে। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ রোহিঙ্গারা।
রোহিঙ্গাদের আরও অভিযোগ, খাদ্যসামগ্রীর তালিকায় প্রায়ই ফার্মের মুরগি ও পাঙ্গাস মাছের মতো নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বেশি দেওয়া হয়, যা অনেক সময় তাদের প্রয়োজনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা বলেন, ক্যাম্পবাসীদের প্রকৃত চাহিদা বিবেচনায় রেখে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা উচিত।
এদিকে রোহিঙ্গাদের একটি অংশের মতামত, ক্যাম্পে পণ্য সরবরাহের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থাপনায় সময় সময় পরিবর্তন আনা হলে স্বচ্ছতা বাড়তে পারে এবং অনিয়ম কমানো সম্ভব।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, রমজান মাসে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
-

মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে প্রায় ৩১ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ
মাসুদ রানা স্টাফ রিপোর্টার৫ মার্চ ২০২৬– মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পৃথক দুটি অভিযানে প্রায় ৩১ লক্ষ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনার অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (৫ মার্চ) মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে ধরা ও পরিবহনের উদ্দেশ্যে রাখা বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ করতে সক্ষম হয় কোস্ট গার্ড সদস্যরা।
তবে অভিযানের সময় জাটকার মালিক বা জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
জব্দকৃত জাটকাগুলো পরবর্তীতে স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং জাটকা নিধন বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
-

নওগাঁয় ২০০পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ১ জন নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
মোঃ রুহুল আমিন, স্টাফ রিপোর্টার, বদলগাছী (নওগাঁ)
নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটা টীম মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা শাখা এর অভিযানকারী টীম বদলগাছী থানা এলাকায় অবস্থান করছিল। রাত ১০. ০০ ঘটিকার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম জানতে পারে যে, হাসিমপুর গ্রামে একজন মহিলা তার বসত বাড়ির আংগিনায় মাদক বিক্রি করার জন্য অবস্থান করছে। অভিযানকারী টীম আসামী আছিয়া (৪৫) স্বামী আ: সালাম থানা বদলগাছী জেলা এর বাড়ির আংগিনায় পৌছাইয়া তার ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং মহিলা পুলিশ দ্বারা তার দেহ তল্লাশী করে। দেহ তল্লাশী কালে আসামির হেফাজত হতে ২০০পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে জব্দ করে। আসামির বিরুদ্ধে বদলগাছী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন ।