Blog

  • দেশে ৪.১ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল ছাতক

    দেশে ৪.১ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল ছাতক

    দেশে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ৪ দশমিক ১ রিখটার স্কেলে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত এলাকা সিলেটের ছাতক। আজ দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

    রাজধানী ঢাকা থেকে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের দূরত্ব ১৮১ কিলোমিটার, আর ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬২৬ কিলোমিটার গভীরে।

    ইন্ডিয়ান মিটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের (আইএমডি) বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি)।

  • আখাউড়ায় কালনি এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

    আখাউড়ায় কালনি এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

    ওমর সানী ভূইয়া
    স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঢাকা অভিমুখী কালনি এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে অজ্ঞাতনামা (প্রায় ৫০ বছর বয়সী) এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে পৌরসভার খড়মপুর এলাকায় হযরত শাহ পীর কল্লা শহীদ মাজারের পশ্চিম পাশে রেলওয়ের স্টিল ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, ঢাকা অভিমুখী কালনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টিল ব্রিজ অতিক্রম করার সময় ওই নারী ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। ট্রেনের আঘাতে মরদেহটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে বিষয়টি আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশকে জানানো হয়।

    এ বিষয়ে আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের

    যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের

    রাষ্ট্রদ্রোহে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ব্যর্থ সামরিক শাসন চাপিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হন তিনি।

    ইউন সুক ইওলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউনকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে।

    ওই সময় বিরোধীদলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংকে আটক করার জন্য সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেয়ার অভিযোগেও ইউনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া সাবেক গোয়েন্দা প্রধান, পুলিশ প্রধান ও পুলিশের সাবেক প্রধান বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পান।

    সাবেক গোয়েন্দা প্রধান রোহ সাং-উনকে ১৮ বছরের কারাদণ্ড, সাবেক পুলিশ প্রধান চো জি-হোকে ১২ বছরের কারাদণ্ড এবং সিউল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক প্রধান কিম বং-সিককে ১০ বছরের এবং ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি পুলিশ গার্ডের সাবেক প্রধান মোক হিউন-তায়েকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য আদালত বলেছে, আসামিরা এক সপ্তাহের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

  • গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুস্থ গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত : জামায়াত আমির

    গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুস্থ গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত : জামায়াত আমির

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একটি সুস্থ গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত। ভিন্নমত দমন নয়- স্বাগত জানানোই হোক নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি।

    বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্যই জুলাই। ফ্যাসিবাদের ১৭ বছরে বর্তমান সরকারি দল ও আমরা- উভয়পক্ষই স্বাধীন মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে দমন-পীড়নের শিকার হয়েছি। আমরা সেই অন্ধকার সময়ে আর ফিরতে চাই না।

  • কিশোরগঞ্জ -৪ আসনে আওয়ামী লীগের দূগের আসন দখলে বিএনপি-জামাত  দু,দলই মরিয়া ।  আওয়ামিলীগ নেতাদের সম্পৃক্ততায় ভোটারদের মাঝে বিভক্তি।

    কিশোরগঞ্জ -৪ আসনে আওয়ামী লীগের দূগের আসন দখলে বিএনপি-জামাত দু,দলই মরিয়া । আওয়ামিলীগ নেতাদের সম্পৃক্ততায় ভোটারদের মাঝে বিভক্তি।

    বিজয় কর রতন, মিটামইন (কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:

    হাওর অধ্যুষিত ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার ২৪টি ইউনিয়ন নিযে়
    গঠিত এই আসন থেকে সাত বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল
    হামিদ তিনি দেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হলে এ আসনটি শূন্য হয়। রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে
    প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত
    হন। পরে ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি সংসদ নির্বাচনেই রেজওয়ান আহাম্মদ
    তৌফিক এমপি নির্বাচিত হন। আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির দলীয়
    মনোনয়ন পেযে়ছেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর
    রহমান। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ফজলুর রহমান ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে তার দীর্ঘ
    রাজনৈতিক জীবনে নানা নাটকীয়তায় বিভিন্ন সময় আলোচনা-সমালোচনার জন্ম
    দিযে়ছেন। সম্প্রতি তার জামায়াতে ইসলামী এবং রাজাকার বিষযে় বিভিন্ন মন্তব্যের
    কারণে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিযে়ছে। এ আসনে বিএনপির
    মনোনয়নপ্রত্যাশীরা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে ্#৩৯;বিতর্কিত ব্যক্ত্#ি৩৯; হিসেবে উল্লেখ করে তার
    প্রাথমিক মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিযে়ছেন। এই আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী
    হযে়ছেন অ্যাডভোকেট রোকন রেজা। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লক্ষ ৮ হাজার ৩ শত ৫২ । এ
    আসন থেকে ত্রযে়াদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিসঢ়;দ্বতা
    করছেন। এদের মধ্যে বিএনপি থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট
    ফজলুর রহমান। বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী থেকে এডভোকেট রোকন রেজা, বাংলাদেশ খেলাফত
    মজলিস থেকে রিকসা প্রতীক নিযে় খাইরুল ইসলাম ঠাকুর, ইনসানিয়াত বিপ্লব দল থেকে
    আপেল প্রতিক নিযে় নুরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাত পাখা নিযে়
    এডভোকেট বিল্লাল হোসেন মজুমদার। এনপিপি থেকে আম প্রতিক নিযে় জয়নাল আবেদীন,
    সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাজী রেহা কবির সিগমা ফুটবল প্রতীক নিযে় ও মোহাম্মদ শাহীন
    রেজা চৌধুরী ঘোড়া প্রতীক নিযে় নির্বাচনে সক্রিয় রযে়ছেন। বিএনপি – বীর
    মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুর রহমান বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিযে় নির্বাচনে
    লড়ছেন। এ আসনটি যদিও আওয়ামী লীগের দূর্গ এরপরে ও ত্রযে়াদশ জাতীয় সংসদ
    নির্বাচনে এবার ফলাফল পাল্টে যাবে বিগত ৩ টি বিতর্কীত নির্বাচনে বিএনপি সহ
    সাধারণ জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রযে়াগ করতে পারেনি। সাধারণ ভোটারদের অভিমত
    দীর্ঘদিন পর তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেযে়ছে । তারা তাদের আশা আকাঙ্ধসঢ়;ক্ষা পূরণ করবে ।
    সাধারণ ভোটাররা অভিযোগ করে বলেন, আজকে যারা আওয়ামী লীগের পদপদবি নিযে় বিগত
    আমলে স্বৈরাচার কে সহযোগিতা করেছে এবং স্বৈরাচারের দোশর হযে় বিএনপির উপর
    অত্যাচার নির্যাতন চালিযে়ছে তারাই এখন ফজলুর রহমানের ডানে বামে বসে তাকে পরামর্শ
    দিচ্ছে। এই বিষয়টি সাধারণ ভোটারদের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টি করেছে। কারণ ওইসব নেতাদের
    চাপে পডে় অনেকেই বিতর্কিত নির্বাচনে কেন্দ্রে গিযে় ভোট দিতে বাধ্য করেছে। আজ

    তারা মিছিল মিটিংযে় প্রথম সারির কর্মী হযে় গেছেন। এ পরিস্থিতিতে বিএনপির ভোট
    কিছুটা কমবে বলে তাদের অভিমত। সাধারণ ভোটাররা বলেন, এমন ভোটারবিহীন নির্বাচন
    আমরা চাই না। আমরা অতীতে ফজলুর রহমান কে দলমত নির্বিশেষে ভোট দিযে় আসছি । কিন্তু
    এবার চেযে়ছিলাম নিরাপদে বিএনপির প্রার্থীকে ভোট দিযে় সংসদে পাঠাবো । কিন্তু এক
    শ্রেণীর আওয়ামী প্রীতি নেতাদের কারণে ভোটের একটি অংশ অন্যদিকে চলে যাওয়ার
    সম্ভাবনা বেশি। ওই সকল আওয়ামী লীগের নেতারা রাতে এবং দিনে জামাত সহ সতন্ত্র
    প্রার্থীদের নিযে় একেক জনকে একেক রকম ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। হাওরের
    মানুষ সহজ-সরল তাদের পুঁজি কৃষিকাজ করা ও বর্ষাকালে মাছ ধরা ছাড়া এর বাইরে কিছুই
    বুঝেন না। এডভোকেট ফজলুর রহমানকে তারা অতীতে সবসময় পেযে়ছে। সুখে দুখে আমরা
    হাওরবাসী ঐক্যবদ্ধ ভাবে ধানের শীষে ভোট দিবো তারা বিএনপির প্রার্থী এডভোকেট ফজলুর
    রহমান কে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি এসকল স্বৈরাচারের দোসরদের কথা কানে নিবেন না। তারা
    ভিতরে ভিতরে আপনাকে ডুবানোর চেষ্টায় লিপ্ত। এসকল প্রচারক নেতাদের থেকে দূরে থাকার
    আহ্ধসঢ়;বান জানান, সাধারণ ভোটাররা বলেন ,আর মাত্র ১২ দিন রযে়ছে ভোটের আপনি এদের
    পরামর্শ নিযে় এগোবেন না । নাম প্রকাশ না করার শর্তে, বিএনপির উপজেলা ও ইউনিয়ন
    পর্যাযে়র নেতারা অভিযোগ করে বলেন, এ আসনে আওয়ামী লীগের নেতারা ধানের শীষের পক্ষে
    মাঠে নামছেন। এখন তারা বিএনপির সাথে মিশে ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমুল্যায়ন করে
    প্রার্থীকে বিভিন্ন রকম পরামর্শ দিযে় ভোট কমানোর চেষ্টায় লিপ্ত। বিভিন্ন এলাকায়
    ছোটখাট বিষয় নিযে় স্বৈরাচারের দোসরদের ইন্ধনে দলের মধ্যে সংঘর্ষের মতো ঘটনা
    ঘটেছে। সম্প্রতি অন্ততঃ দুই উপজেলায় এমন তিনটি ঘটনা ঘটেছে এ আসনে। ভোটারদের
    অভিমত স্বৈরাচার মুক্ত হাওর চাই । এ আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্ধসঢ়;দ্বী জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের
    প্রার্থী দাডি়পাল্লা প্রতীক নিযে় মাঠে নামছেন এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ রোকন রেজা।
    তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ও জামায়াতের
    ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আইন বিভাগীয় সম্পাদক । বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপি
    জামায়াতের দু দলই এ আসন পেতে মরিয়া। অধিকাংশ এলাকায় আওয়ামী লীগ সমর্থকরা
    বিএনপির দিকে ঝুঁকে পডে়ছে। বিগত সমযে় এ আসনে বিএনপির কিছু নির্ধারিত
    ভোট রযে়ছে। এছাড়াও এডভোকেট ফজলুর রহমানের ব্যাক্তিগত ইমেজের ভোট ব্যাংক রযে়ছে।
    সব মিলিযে় ধানের শীষের পাল্লা ভারী। তবে এ আসনে বিএনপির মধ্যে কিছুটা দলীয় কোন্দল
    রযে়ছে। নির্বাচনের পূর্বে কোন্দল না মিটলে ভোটের সংখ্যা কমতে পারে। দলীয় কোন্দলের ভোট
    বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রযে়ছে। আওয়ামী লীগের একটি অংশ
    এডভোকেট ফজলুর রহমানকে ভোটের প্রতিশ্ধসঢ়;রুতি দিচ্ছে আবার সতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ শাহীন
    রেজা চৌধুরীর পক্ষে গোপনে কাজ করছেন। এ ছাড়াও ডাঃ শাহীন রেজা চৌধুরী এলাকায়
    চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে বিনামূল্যে সেবা দিচ্ছেন দীর্ঘদিন যাবত। গরিব শ্রেণীর ভোটের
    একটি অংশ তিনি পাবেন বলে আশা করছেন। ডাঃ শাহীন রেজা চৌধুরীর মিঠামইনে বিশেষ
    একজন ব্যক্তি সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের পরিবারের সাথে একটি সম্পর্ক রযে়ছে।
    সেটাও একটি ভোটের ব্যাপারে ফ্যাক্টর। এ এলাকায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্বে
    ভোটারদের অবস্থা একটি দলের পক্ষে সরাসরি থাকলেও যতই দিন ঘটিযে় আসছে ততই জামাতে
    ইসলামের ভোট কিছুটা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। কারণ আওয়ামী লীগের এক শ্রেনীর নেতারা
    বিএনপির পক্ষে মাঠে নামায় বিএনপির কিছু ভোট জামাতের দিক ঝুঁকে পডে়ছে।

    জামাতের প্রার্থী তার নিজ এলাকা ইটনা উপজেলায় কিছু ভোট রযে়ছে। মিঠামইন ও
    অষ্টগ্ধসঢ়;ৰাম উপজেলায় জামাতের কোন সারা না থাকলেও ইদানিং কিছু কিছু আওয়ামী লীগ
    নেতা বিএনপির ভিতরে ঢুকার কারনে সাধারণ ভোটাররা জামাতের পক্ষ নিযে় মিছিলে
    অংশগ্রহণ করছে । এ আসনে বিএনপি জামাতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইযে়র সম্ভাবনা নেই। তবে
    অতীতে জামাতের ভোট এ আসনে একেবারে কম ছিল। কিছু সংখ্যক আওয়ামী লীগ নেতা
    বিএনপিতে মিশার একটা কারণ এছাড়াও অন্যদিকে বিএনপির দলীয় কোন্দলের কারনে ক্রমশ
    বিএনপির ভোট কমে যাচ্ছে। সবমিলিযে় বিএনপির প্রার্থীর জযে়র সম্ভাবনা দেখছে
    ভোটাররা । তবে প্রথম দিকে বিএনপির প্রার্থী যে ভোটের আশা করেছিলেন সেটা ক্রমশ হ্রাস
    পাচ্ছে। অন্যদিকে অপর সতন্ত্র প্রার্থী রেহা কবির সিগমা তার নিজ বাডি় জন্মস্থান
    অষ্টগ্রামে কিছু ভোট রযে়ছে। অষ্টগ্রামে বিএনপির দলীয় কোন্দলের কারনে ভোটের একটি
    অংশ সতন্ত্র প্রার্থী রেহা কবির সিগমার বাক্সে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রযে়ছে। অন্য দুই
    উপজেলায় রেহা কবির সিগমার ফুটবল প্রতীকের কোন সাড়া নেই। এরপরেও তিনি ভোটারদের
    নানান প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত সতন্ত্র দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইযে়র
    সম্ভাবনা রযে়ছে। বাকি প্রার্থীরা তাদের নিজ এলাকায় ফলাফল খারাপ করবে। তাদের কোনো
    নির্বাচনী তৎপরতা নেই। প্রতীক বরাদ্দের পরও তাদের এখন পর্যন্ত মাঠে দেখা যায়নি। কোন
    গনসংযোগ করতে দেখা যায়নি শুধু লিফলেট বিতরণের মধ্য সিমাবদ্ধ । প্রতীক বরাদ্দের পর
    বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে প্রচার প্রচারণায় থেমে নেই। নেতাকর্মীরা প্রতিটি ইউনিয়নে
    পথসভা ও উঠান বৈঠক নিয়মিত করছেন। অন্যদিকে জামাতের প্রার্থী এডভোকেট রোকন
    রেজা প্রথম দিকে প্রচার প্রচারণা ধীর গতিতে চললে ও বর্তমানে সরগরম। হাওরে জামাতের ইসলাম
    বাংলাদেশের মহিলা কর্মীরা সক্রিয় রযে়ছেন। তারা বিভিন্ন কৌশলে প্রচার প্রচারণা
    চালাচ্ছেন।
    বার্তা প্রেরক:
    বিজয় কর রতন,
    মিটামইন কিশোরগঞ্জ।

  • দিনাজপুর-৬ আসনে নির্বাচনী মাঠে মুখোমুখি  বিএনপি, জামায়াত

    দিনাজপুর-৬ আসনে নির্বাচনী মাঠে মুখোমুখি বিএনপি, জামায়াত

    মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ-
    দিনাজপুর-৬ সংসদীয় আসন (ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ ও বিরামপুর)
    নির্বাচনী যত ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী মাঠ সরগরম। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয়
    সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদিনই দফায় দফায় সভা-সমাবেশ, মিছিল,
    মিটিং, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে মুখর হয়ে উঠছে চার উপজেলার গ্রাম-গঞ্জে,
    হাটব-াজারে ও পৌর এলাকা। প্রার্থীদের সরব উপস্থিতিতে ভোটের মাঠে তৈরি হয়েছে
    উৎসবমুখর পরিবেশ। দিনাজপুর-৬ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিসঢ়;দ্বতা করলেও বাস্তব
    দেখা যাচ্ছে নির্বাচনী মাঠে জমে উঠছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
    মনোনীত প্রার্থী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের ধানের শীষ, অপর দিকে বাংলাদেশ
    জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ও সাবেক জেলা
    আমির মোঃ আনোয়ারুল ইসলামের দাঁড়িপাল্লা- এই দুই প্রতীককে ঘিরেই কেন্দ্রীভূত
    হয়েছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। উন্নয়ন বঞ্চনার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর;
    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী
    ডা. এ জেড এম মো. জাহিদ হোসেন নির্বাচনী প্রচারণায় অভিযোগ করে বলেন, চার
    উপজেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। জাতীয় উন্নয়নের
    মূল স্রোতের বাইরে রেখে এ এলাকাকে অবহেলা করা হয়েছে বলে দাবি বিএনপি
    প্রার্থীদের। ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “দিনাজপুর-৬ আসনের মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য,
    যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্যের শিকার। জনগণের ভোটে নির্বাচিত
    হতে পারলে অবকাঠামো উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা এবং
    টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন,
    এই এলাকার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে সৎ ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রয়োজন।
    ঐতিহ্য রক্ষা ও সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি জামায়াত প্রার্থীর; অন্যদিকে
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলামও মাঠে
    রয়েছেন বেশ শক্ত অবস্থানে। সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগে মিছিল মিটিং তিনি বলেন,
    দিনাজপুর-৬ আসনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সব খাতেই অবহেলার শিকার। জনগণের ভোটে
    তার দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর ও
    সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “এই এলাকায় বহু ঐতিহাসিক ও
    ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা রয়েছে, যা দীর্ঘদিন তত্ত্বাবধানের অভাবে ধ্বংসের মুখে। এসব
    স্থাপনা সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।” ভোটারদের উদ্দেশে
    তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। দিনাজপুর-৬ সংসদীয় আসন
    অন্যান্য প্রর্থীদের মধ্যে মধ্যে রয়েছেন- জাতীয় পাটির মনোনীত প্রার্থী মো. রেজাউল
    হক (লাঙ্গল),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. নুর আলম সিদ্দিক (হাতপাখা),
    বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর প্রার্থী মো. আব্দুল হাকিম (মই) এবং স্বতন্ত্র
    প্রার্থী মো. শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ শাহ (ঘোড়া)। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা
    গেছে, দিনাজপুর-৬ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৯৩ জন। এর মধ্যে
    পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৭৯ হাজার ৬২৭ জন এবং

    ট্রান্সজেন্ডার ভোটার ১৩ জন। এই আসনে রয়েছে ৩টি পৌরসভা ও ২৩টি ইউনিয়ন। মোট
    ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৯৯টি। শেষ মুহূর্তের প্রর্তীরা প্রতিদিনই ধানের শীষ ও
    দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে উন্নয়ন, পরিবর্তন ও জনস্বার্থ
    সংশ্লিষ্ট নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে আগ্রহ ও
    কৌতূহল। সব মিলিয়ে দিনাজপুর-৬ আসনে এবারের নির্বাচন হতে যাচ্ছে অত্যন্ত
    প্রতিদ্বন্ধিসঢ়;দ্বতাপূর্ণ ও উত্তেজনাকর। শেষ পর্যন্ত কার দিকে ঝুঁকে পড়ে ভোটারদের রায়-
    সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে পুরো দিনাজপুর-৬ সংসদীয় এলাকা।

     

  • ছিনতাই ও ডাকাতির মাষ্টারমাইন্ড বিএনপি নেতা গ্রেফতার

    স্টাপ রিপোর্টার : অদ্য ৩১ জানুয়ারি – ২০২৬ইং সাভারে ভোর ০৫৩০ ঘটিকায়  সাভার মডেল থানার পুলিশের একদল চৌকস টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাভার অঞ্চলের ছিনতাই ও ডাকাতির মাষ্টার মাইন্ড জাতীয়তাবাদী বিএনপির মৎস্যজীবী দলের সহ-সভাপতি শাহআলি ওরফে রাকিবকে (৩৮) সাভার পৌরসভার শাহীবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। রাকিব পৌরসভার দিলখুশাবাদ ভাড়া বাসায় থাকতেন তার পিতার নাম পাখি কবিরাজ, গ্রামঃ ওয়াইল, থানাঃদৌলতপুর, জেলাঃ মানিকগঞ্জ
    ধৃত ব্যক্তি নিজেকে জাতীয়তাবাদী বিএনপির মৎস্যজীবী দলের সহ-সভাপতি এবং ঢাকা ১৯ আসনের এমপি পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন বাবুর সমর্থক বলে পরিচয় দেন তার ব্যক্তিগত প্রোফাইল চেক করে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে
     উল্লেখ্য গত ৩০ জানুয়ারী  সাভার মডেল থানাধীন বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর গোল্ডস্টার গার্মেন্টস সংলগ্ন ডাকাতির উদ্দেশ্যে সমবেত হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৮ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করে গ্রেফতারকৃত আসামিদের তথ্যর ভিওিতে শাহআলি ওরফে রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয় ।
    এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি ডাকাতির মামলা রুজু করা হয়েছে মামলা নং ৮১ ধারা ৩৯৯/৪০২ দঃবিঃ
    রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ছিনতাইকারি ডাকাত চাঁদাবাজি নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিণত হয়, যার কারণে নিরীহ সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন
  • এক যুগে লেখক তৌফিক সুলতান স্যারের‘জ্ঞানের জগৎ – World of Knowledge’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন। — শিক্ষার্থীদের পড়ার সংকট সমাধানে সময়োপযোগী এক উদ্যোগ।

    এক যুগে লেখক তৌফিক সুলতান স্যারের‘জ্ঞানের জগৎ – World of Knowledge’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন। — শিক্ষার্থীদের পড়ার সংকট সমাধানে সময়োপযোগী এক উদ্যোগ।

    আজকের শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো—অনেক পড়াশোনা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়া, পড়া বুঝলেও তা দীর্ঘদিন মনে না থাকা এবং পরীক্ষার হলে গিয়ে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা। এই বাস্তব সমস্যাগুলো শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মাঝেও গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ঠিক এই প্রেক্ষাপট থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য দিকনির্দেশনামূলক গ্রন্থ ‘জ্ঞানের জগৎ – World of Knowledge’ রচিত হয়েছে। আজ এক যুগে এই গুরুত্বপূর্ণ বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয় একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এইচ. কে. বিপুল স্মৃতি হাই স্কুল, দৌলতপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, কোচেরচর ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসাসহ আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইব্রেরিতে সংরক্ষণের জন্য প্রধান শিক্ষকদের হাতে তুলে দেন জনাব মন্জিল স্যার এবং বইয়ের রচয়িতা তৌফিক সুলতান স্যার। এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ যেমন বাড়িয়েছে, তেমনি শিক্ষকদের মাঝেও নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
    ‘জ্ঞানের জগৎ’ বইটির লেখক তৌফিক সুলতান স্যার একজন প্রভাষক, লেখক ও গবেষণামুখী শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। তিনি নিজেকে কেবল শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা, মানসিক চাপ, পড়ার ভয় ও ব্যর্থতার হতাশার ভেতরে দাঁড়িয়ে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেছেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি বারবার লক্ষ্য করেছেন—অনেক শিক্ষার্থী ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়াশোনা করেও পরীক্ষার হলে গিয়ে সব ভুলে যায়। আবার অনেকে বিষয় বুঝলেও মুখস্থ না থাকার কারণে ভালো ফল করতে পারে না। এই অভিজ্ঞতা তাকে ভাবিয়েছে এবং প্রশ্ন তুলেছে—সমস্যাটি কি সত্যিই শিক্ষার্থীদের মেধায়, নাকি আমাদের পড়ার পদ্ধতিতেই মূল ত্রুটি লুকিয়ে আছে?
    এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তৌফিক সুলতান স্যার শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা-গবেষণা ও বাস্তব শ্রেণিকক্ষের অভিজ্ঞতা একত্রে বিশ্লেষণ করেন। তিনি উপলব্ধি করেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় পড়া বোঝা, মনে রাখা এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ—এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে গভীর বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রায়ই শুধু পরীক্ষার জন্য পড়ে, ফলে পড়া হয় সাময়িক এবং পরীক্ষার পরই তা ভুলে যায়। আবার কেউ কেউ বিষয় গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করলেও সঠিক স্মৃতি সংরক্ষণ কৌশল না জানার কারণে পরীক্ষায় বা জীবনের বাস্তব ক্ষেত্রে সেই জ্ঞান কাজে লাগাতে পারে না। এই দ্বন্দ্ব থেকেই ‘জ্ঞানের জগৎ’ বইটির মূল দর্শন গড়ে ওঠে—পড়া বুঝে মুখস্থ করতে হবে। অর্থাৎ বোঝা ও মুখস্থ—এই দুইয়ের সমন্বয় ঘটাতে পারলেই শেখা হয় স্থায়ী, কার্যকর ও অর্থবহ।
    বইটিতে লেখক খুব সহজ ভাষায় পড়ার সঠিক কৌশল তুলে ধরেছেন। কীভাবে পড়লে পড়া দীর্ঘদিন মনে থাকে, কীভাবে অল্প পড়ে ভালো ফল করা যায়, কীভাবে পরীক্ষার ভয় কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায়—এসব বিষয় বাস্তব উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বিশেষভাবে যেসব শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে আছে, যারা পড়েও ভুলে যায় বা পরীক্ষার হলে গিয়ে মাথা ফাঁকা হয়ে যায়—এই বইটি তাদের জন্য একটি কার্যকর গাইড হিসেবে কাজ করবে। বইটিতে দেখানো হয়েছে, পড়াশোনা কখনোই কেবল মুখস্থনির্ভর হওয়া উচিত নয়; আবার শুধু বোঝার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলেও চলবে না। পড়াকে যদি আনন্দময় করা যায় এবং জীবনের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, তবে শেখা হয়ে ওঠে স্বতঃস্ফূর্ত ও দীর্ঘস্থায়ী।
    ‘জ্ঞানের জগৎ’ বইটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এটি শুধু পরীক্ষার ফলাফলকেন্দ্রিক নয়। বইটিতে স্মৃতির বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, নিয়মিত চর্চার গুরুত্ব, সময় ব্যবস্থাপনা এবং মনোযোগ বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি এতে ইসলামিক জ্ঞানদর্শনের আলোকে ইলমের গুরুত্ব ও নৈতিকতা তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের মতে, আল্লাহ প্রদত্ত ইলম মানুষের জীবনে আলো ছড়ানোর সবচেয়ে বড় শক্তি। এই জ্ঞান যদি সঠিক নিয়তে অর্জন করা যায় এবং মানবকল্যাণে ব্যবহার করা যায়, তবে তা ব্যক্তি ও সমাজ—উভয়ের জন্যই কল্যাণ বয়ে আনে।
    বইটিতে আরও উল্লেখযোগ্যভাবে আলোচিত হয়েছে—স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক খাদ্যাভ্যাস, সুস্থ মস্তিষ্ক গঠনের উপায় এবং দৈনন্দিন জীবনে জ্ঞান প্রয়োগের কৌশল। শুধু তাই নয়, যারা লেখালেখি জানে কিন্তু সেখান থেকে আয় করতে পারছে না, তাদের জন্যও বইটিতে বাস্তব দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সময়ে অসংখ্য ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের ভিড়ে কীভাবে সঠিক তথ্য যাচাই করতে হয়, কীভাবে গবেষণামুখী মানসিকতা গড়ে তুলতে হয়—এসব বিষয়ও বইটিতে গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়েছে। ফলে ‘জ্ঞানের জগৎ’ কেবল শিক্ষার্থীদের জন্য নয়; বরং শিক্ষক, অভিভাবক ও তরুণ গবেষকদের জন্যও একটি উপযোগী গ্রন্থ।
    বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকরা ‘জ্ঞানের জগৎ’-এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, বর্তমান মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থায় এই বইটি একটি প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী সংযোজন। তাদের মতে, এই বইটি শিক্ষার্থীদের পড়ার অভ্যাস বদলে দিতে পারে এবং পড়াশোনার প্রতি ভয় দূর করে আগ্রহ তৈরি করতে সক্ষম। বইটি শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফল করার পথই দেখায় না, বরং চিন্তাশীল, নৈতিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার দিকনির্দেশনাও দেয়।
    সবশেষে বলা যায়, পদ্ধতিই ফলাফল বদলায়—এই মূল দর্শনকে সামনে রেখেই ‘জ্ঞানের জগৎ’ রচিত। একটি বই যে একজন শিক্ষার্থীর পড়ার অভ্যাস, চিন্তার ধরণ এমনকি জীবনের লক্ষ্যও বদলে দিতে পারে—‘জ্ঞানের জগৎ’ তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। আজকের এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শুধু একটি বই প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন করে শেখার পথ দেখানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। যারা পড়াশোনাকে সহজ, উপভোগ্য ও ফলপ্রসূ করতে চায় এবং যারা জ্ঞানকে জীবনের ও আয়ের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে চায়—তাদের জন্য ‘জ্ঞানের জগৎ – World of Knowledge’ নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী ও মূল্যবান গ্রন্থ।
  • সংসদে গিয়ে জনগনের সেবক  হতে চাই শাসক নই। অধ্যক্ষ নুরুল আমিন দাড়ি পাল্লার প্রার্থী।

    সংসদে গিয়ে জনগনের সেবক হতে চাই শাসক নই। অধ্যক্ষ নুরুল আমিন দাড়ি পাল্লার প্রার্থী।

    চট্রগ্রাম ২ ফটিকছড়ি আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নাজিরহাট পৌরসভার উদ্যোগে  দাড়ি পাল্লার সমর্থনে বিশাল গন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়,মিছিল শেষে নাজিরহাট ঝংকার মোড়ে  পৌরসভার সভাপতি বায়েজিদ হাসান মুরাদের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি শামসুল আরেফিন আরিফের সঞ্চালনায় সংকিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় উক্ত মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি চট্টগ্রাম ২ ফটিকছড়ি আসনের ১১ দলীয় জোটের দাড়ি পাল্লার প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমিন তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন ফটিকছড়িতে বিগত সময়ে যাদেরকে আপনারা ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছেন তারা আপনাদের শাসক হয়েছেন,ফটিকছড়ি বাসির উদ্দেশ্যে বলেন আমি সংসদে গিয়ে আপনাদের সেবক হতে চাই শাসক নই।
    তিনি আরো বলেন নাজিরহাট পৌরসভা ও বিবির হাট পৌরসভা দুটিকে এ গ্রেডে উন্নিত করার জন্য কাজ করবেন,ভাসমান ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারী জায়গায় স্থায়ী শেড করার পরিকল্পনার কথাও বলেন,তার বক্তব্যে আরে বলেন যারা যারা মনে করেন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে কেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপার চুরি করবেন সেই দুঃস্বপ্নের কথা ভুলে যান,দাঁড়ি পাল্লায় ভোট দিয়ে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক কল্যানময় রাষ্ট্র গঠন,ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেয়ার কথা বলেন,রাজনীতিকে রাজনীতির ভাষায় মোকাবেলা করার কথাও বলেন অতীতের মত সৈরাচারের মনোভাব নিয়ে যারা বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাবে জনগন তাদেরকে প্রত্যাখান করবে,তিনি আরো বলেন আমারা বাংলাদেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ শালী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি,১১ দলীয় জোট শুধু ভোটের জন্য গঠন হয়নি জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠা,শান্তি শৃঙ্খলা,দেশ বিরুধী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলার জন্য হয়েছে,তাই যারা ষড়যন্ত্র করার জন্য চেষ্টা করবেন চাঁদা বাজি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাবেন মানুষ হত্যা করবেন জনগনকে কষ্ট দিবেন এরকম ভাবলে ভুল করবেন তাই শুধরে যান তাই সেবার মানসিকতা ও উন্নয়নশীল আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের কাজে এগিয়ে আসতে না পারলে পালানোর প্রস্তুতি নেন কোথায় যাবেন পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রে যাবেন নাকি অন্য কোথায় যাবেন তাও ঠিক করে রাখেন।
    বাংলাদেশের মানুষ আর নৈরাজ্য দেখতে চায়না তারা এখন শান্তি চাই তাই শান্তির পথে আসুন,আমরা সকল দলকে নিয়ে একটি আধুনিক ও উন্নয়নশীল দেশ গঠন করার জন্য সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবো।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইবুনালের পিপি এডভোকেট আলমগীর মোঃ ইউনুস তিনি বলেন আমাদের এ-ই ঝংকার মোড়ে টেম্পু সিএনজি ষ্টেশনের চাঁদা বাজি বন্ধ,অবৈধ হালদার বালি খেকোদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ১২ তারিখ দাড়ি পাল্লায় রায় দিয়ে জয়যুক্ত করুন তাহলে সকল ধরনের অন্যায় আমরা বন্ধ করব,তিনি আরো বলেন সংসদ হচ্ছে আইন প্রণয়নের জায়গা সেই জায়গায় কোন মূর্খ ও ঋন খেলাপীকে ভোট দিয়ে সংসদে না পাঠানোর অনুরোধ করেন,আগে ব্যাংকের টাকা হচ্ছে জনগনের আমানতের টাকা তাই আগে জনগনের আমানতের টাকা পরিশোধ করে তার পর জনগনের সেবা করার কথা বলার কথা বলেন।
    যিনি জনগনের টাকা মেরে দিয়ে জনগনের জন্য কি করবেন,এই সমস্থ ঋন খেলাপীরা বিজয় হলে কি করবেন আপনার বুঝে নেন।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আহবায়ক একরামুল হক তিনি তার বক্তব্যে  বলেন আমি দশ দলীয় জোটের পক্ষে বক্তব্য দেয়ার কারনে যে সমস্ত  বিএনপির সন্ত্রাসীরা আমাকে হুমকি দিচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্য বলেন আমি ১৭ বছর ফ্যাসি বাদির বিরুদ্ধে লড়েছি আমার জীবনে অনেক হুমকি খেয়েছি,যার বিগত ১৭ বছরে খালেদ জিয়ার জন্মদিনে একটি ষ্টেটাস দেয়ার সাহস ছিলনা তারা আজকে বড় বিএনপি৷ বড়ই হাষ্যকর কথা,তাই আমাকে হুমকি দিয়ে লাভ নেই,আমরা বাংলাদেশে একটি ন্যায় ও ইনাসফের রাষ্ট্র কায়েম করতে চাই তাই তিনি ১২ তারিখ দাড়ি পাল্লায় ও হ্যাঁ ভোটে রায় দিয়ে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের সুযোগ দিবেন,আমরা বাংলাদেশকে একটি কল্যানময় রাষ্ট্র ও ইনসাফ কায়েম করতে সহযোগিতা করবেন।
    উক্ত মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফটিকছড়ি থানা আমীর নাজিম উদ্দীন ইমু সাবেক আমীর নাজিম উদ্দীন সিকদার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল ও স্থানীয় জামায়াত শিবিররে নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার জনতা।
    মিছিলটি নাজিরহাট আদর্শ স্কুলের মাট থেকে শুরু হয়ে ঝংকার মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
  • ফটিকছড়িতে অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা ইমাজ উদ্দিন প্রকাশ জেম গ্রেফতার

    ফটিকছড়িতে অস্ত্রসহ যুবলীগ নেতা ইমাজ উদ্দিন প্রকাশ জেম গ্রেফতার

    ফটিকছড়ি(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি ফটিক ছড়ি পৌর এলাকা থেকে ফটিকছড়ি উপজেলা যুবলীগের সাবেক এই নেতা ইমাজ উদ্দিন প্রকাশ জেম (৪২) কে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
    ৩১ জানুয়ারি শনিবার রাতে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রটি পরীক্ষার জন্য জব্দ করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে।
    প্রশাসন সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত ইমাজ উদ্দিন জেমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।